
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জবাজারের তথ্য লোড হচ্ছে
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরী বাংলাদেশ লিমিটেড সম্পর্কে এবং এটি কীভাবে সেটেলমেন্টে সহায়তা করে।
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) ২০ আগস্ট ২০০০ সালে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি সিস্টেম (সিডিএস) পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
সিডিএস-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক বুক-এন্ট্রি পদ্ধতিতে বিনিয়োগকারীদের সিকিউরিটিজ হিসাব সংরক্ষণ ও পরিচালনা, সিকিউরিটিজ হস্তান্তর নিবন্ধন এবং মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় কাগজভিত্তিক শেয়ার বা সিকিউরিটিজ সনদ স্থানান্তর, সনদে অনুমোদন প্রদান কিংবা পৃথক ট্রান্সফার ইনস্ট্রুমেন্ট সম্পাদনের প্রয়োজন হয় না।
এছাড়াও সিডিবিএল বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত ট্রেজারি বিল ও সরকারি বন্ডের সেকেন্ডারি মার্কেটে লেনদেন সহজতর করার সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ডিপোজিটরিকে অর্থের পরিবর্তে শেয়ারের জন্য একটি ব্যাংকের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। এখানে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কাগজের সনদ আকারে সংরক্ষণ করতে হয় না; বরং ডিপোজিটরিতে তাদের নিজস্ব হিসাব থাকে। এই হিসাবের মাধ্যমে তারা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সিকিউরিটিজ স্থানান্তর করতে পারেন এবং স্টক এক্সচেঞ্জে সম্পাদিত লেনদেনের নিষ্পত্তি করতে পারেন।
বিশ্বের প্রায় সব প্রতিষ্ঠিত পুঁজিবাজারেই ডিপোজিটরি ব্যবস্থা রয়েছে। ভারত, জাপান, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
একটি ডিপোজিটরির প্রধান সেবা হলো কম্পিউটারভিত্তিক বুক-এন্ট্রি ব্যবস্থার মাধ্যমে দক্ষ, দ্রুত ও নিরাপদভাবে সিকিউরিটিজ ডেলিভারি, লেনদেন নিষ্পত্তি এবং মালিকানা হস্তান্তর সম্পন্ন করা।
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) হলো ব্যাংক, স্টক এক্সচেঞ্জ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি সিস্টেম (সিডিএস) পরিচালনা করে।
কাগজভিত্তিক শেয়ার সনদকে ইলেকট্রনিক রূপে রূপান্তরের মাধ্যমে সিডিবিএল ক্ষতিগ্রস্ত, হারিয়ে যাওয়া, জাল এবং নকল শেয়ার সনদের ঝুঁকি দূর করে। ইলেকট্রনিক বুক-এন্ট্রি ব্যবস্থায় সিকিউরিটিজ তাৎক্ষণিকভাবে হস্তান্তর করা যায় এবং এর ফলে মালিকানা দ্রুত পরিবর্তিত হয়। বিপরীতে, কাগজভিত্তিক সনদ ব্যবস্থায় একই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে এক মাসেরও বেশি সময় লাগতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদে সিডিবিএল বিনিয়োগকারীদের জন্য লেনদেন ও সিকিউরিটিজ সংরক্ষণ-সংক্রান্ত ব্যয় কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরী বাংলাদেশ লিমিটেড।
